নকশায় আংশিক পরিমার্জন এনে জাপানে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) বিজেড৪এক্সের নতুন সংস্করণ উন্মোচন করেছে টয়োটা মোটর। নতুন গাড়িতে এক চার্জে পুরনো মডেলের তুলনায় রেঞ্জ প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়ে ৭৪৬ কিলোমিটারে পৌঁছেছে। এটি এখন জাপানের বাজারে থাকা দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এক চার্জে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে পারা ইভি। আগামী জানুয়ারিতে বাজারে আসতে যাওয়া নিশান মোটরের নতুন লিফ মডেলের ৭০২ কিলোমিটার রেঞ্জকেও ছাড়িয়ে যাবে। বিজেড৪এক্সের মডেলটির প্রারম্ভিক মূল্য ধরা হয়েছে ৪৮ লাখ ইয়েন বা প্রায় ৩১ হাজার ৪০০ ডলার, যা আগের সংস্করণের একই গ্রেডের চেয়ে প্রায় ৭ লাখ ইয়েন কম। তবে সরকারি ভর্তুকি যুক্ত হলে মডেলটির দাম হাইব্রিড স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকলের (এসইউভির) সমপর্যায়ে চলে আসবে। মূলত ব্যাটারির পরিমার্জিত সক্ষমতা এবং ই-অ্যাক্সেল ড্রাইভ ইউনিটে শক্তি ক্ষয় কমানোর মাধ্যমে বাড়তি রেঞ্জ পাওয়া যাবে। সাধারণত শীতল তাপমাত্রায় ইভির চার্জিং পারফরম্যান্স দুর্বল থাকে, বিষয়টি বিবেচনায় রেখে চার্জিং ব্যবস্থা উন্নত করেছে টয়োটা। এটি মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়ও মাত্র ২৮ মিনিটে পুরোপুরি চার্জ করা সম্ভব। সর্বশেষ বিজেড৪এক্সে শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছতে পারে মাত্র ৫ দশমিক ১ সেকেন্ডে, যা আগের সংস্করণের তুলনায় ১ দশমিক ৮ সেকেন্ড দ্রুত। এছাড়া চার ধাপে নিয়ন্ত্রণযোগ্য রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম পরিস্থিতি অনুযায়ী ধীরগতিতে গতি কমাতে সাহায্য করে। টয়োটা এ মডেলের সঙ্গে প্রথমবারের মতো নিজেদের তৈরি হোম চার্জারও উন্মোচন করেছে। ছয় কিলোওয়াট ক্ষমতার চার্জারের আউটপুট প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় দ্বিগুণ। এর মাধ্যমে ৮ ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার চলার মতো চার্জ পাওয়া যায়। টয়োটা নিজস্ব টিমো চার্জিং নেটওয়ার্কও চালু করেছে। এতে কোনো মাসিক ফি নেই, আউটপুটের ওপর ভিত্তি করে চার্জিং রেট নির্ধারিত হয়। ১৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার দ্রুত চার্জারে প্রতি মিনিটে ৮০-১০০ ইয়েন খরচ হবে। অ্যাপ-ভিত্তিক এ নেটওয়ার্ক টয়োটা-বহির্ভূত ইভি চালকদের জন্যও উন্মুক্ত। খবর নিক্কেই এশিয়া